চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার অধিকাংশ এলাকায় অনেক সংখ্যক সড়কবাতি নষ্ট হয়ে আছে । অনেক জায়গায় সড়কবাতির ল্যামপোষ্ট থাকলে ও বাতিগুলো দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে আছে। পৌরসভার হিসাবমতেই অর্ধেকের বেশি সড়কবাতি নষ্ট হয়ে আছে। সড়কবাতি নষ্ট হওয়ায় বোয়ালখালী পৌরসভার বাজারের রাস্তাঘাট ও প্রধান সড়কে চলাচল করতে হয় সড়কের পাশের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আলোতে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা পাড়া-মহল্লার রাস্তাগুলোর।
সড়কবাতি না থাকায় পাড়া-মহল্লার অনেক এলাকায় সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকার নেমে আসে। জনগণের চলাচলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ঘটছে চুরি-ছিনতাইও। এরপরও এ বিষয়ে নজর নেই পৌর কর্তৃপক্ষের।
শুক্রবার(১৮ জুলাই) রাতে বোয়ালখালী পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সড়কেই অনেক দূর দুর একটা লাইট জ্বলে। তারপর আবার অন্ধকার। সড়কের পাশে ল্যাম্পপোস্ট থাকলেও সেগুলোর বাতি নষ্ট থাকায় আলো জ্বলছে না। বর্তমানে সড়কগুলোতে যে পরিমাণ সড়কবাতি জ্বলছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় অ পর্যাপ্ত। বাণিজ্যিক এলাকা ও আবাসিকএলাকাগুলোতে সড়কবাতি কিছুটা দেখা গেলেও মহল্লার অধিকাংশ সড়কে সড়কবাতি নেই।
বোয়ালখালী পৌরসভার এলাকার স্হানীয় বাসিন্দা তারেক বলেন, বিগত ১ বছর ধরে বোয়ালখালী পৌরসভা সদর হতে মুরাদ মুন্সির হাট পর্যন্ত সড়কের বাতি জ্বলতেছে না। আমি নিজে পৌরসভায় গিয়ে অভিযোগ দিয়েও কোন সুফল পাচ্ছি না।
বোয়ালখালী পৌরসভার এলাকার আরেক স্হানীয় বাসিন্দা আছহাব উদ্দিন দুলাল বলেন,পৌরসভার সবচেয়ে আমরা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসবাস করি। হেডকোয়ার্টার হতে মুরাদমুন্সির হাট পযর্ন্ত যদি ৩০টি লাইট থাকে তারমধ্যে ২৮ টি লাইট নষ্ট শুধু ২টি লাইট জ্বলে। লাইট না জ্বলার কারনে প্রতিনিয়তে আমরা দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়।
বোয়ালখালী পৌরসভার এলাকার স্হানীয় জনসাধারণ বলেন, কালুরঘাট টোল অফিস হতে রায়খালী পর্যন্ত অনেক সড়কবাতি নষ্ট। সড়কবাতি না থাকায় সন্ধ্যার পর আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে হয়। অথচ পৌরসভা হিসেবে পৌর এলাকার জনসারণকে ঠিকই কর দিতে হচ্ছে। সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকার নেমে আসে। সড়কবাতি না থাকার কারণে এলাকায় চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে গেছে বলে জানান স্থানীয়রা।
বোয়ালখালী পৌরসভার উপ- সহকারি প্রকৌশনী মো: কামরুজ্জামান বলেন, মুরাদ মুন্সির হাটের লাইট গুলো মেরামত করা হবে। লাইট একটা নষ্ট হলে আর একটা লাগানোর সময় দিতে হবে। বর্ষার সময় প্রতিদিন কাজ করতে পারে না। আর কালুরঘাট হতে রায়খালী পযর্ন্ত সড়কবাতি গুলো মেরামত কাজ আশা করি এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে পারবো।