জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।
গতকাল (৭ জুলাই) সোমবার হাসমতের দোকান টেন স্টার সংলগ্ন চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণে ছাত্রশিবিরের কার্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘জুলাই অভ্যুত্থান: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থান ছিল দেশের মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। এই অভ্যুত্থানের প্রকৃত লক্ষ্য অর্জন করতে হলে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সব পর্যায়ে সততা, জবাবদিহি এবং নৈতিক নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “যে আত্মত্যাগের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে, সেই চেতনাকে ধারণ করে তরুণ প্রজন্মকে দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলেই অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবে রূপ নেবে।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণের সভাপতি ডি. এম. আসহাব উদ্দীন এবং সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি জিল্লুর রহমান।
উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণের সাবেক সভাপতি আসিফুল্লাহ মুহাম্মদ আরমান।
আলোচনা সভায় বক্তারা জুলাই অভ্যুত্থানের তাৎপর্য, এর প্রত্যাশা ও দুই বছরে অর্জন নিয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সুশাসন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।