চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ভূ-উপরিস্থ পানির মাধ্যমে সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভায় সাতছড়ি খাল পুন:খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (২৪ মে) বিকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খালের দুই কিলোমিটার অংশ পুন:খনন কাজ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দোহাজারী পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও দোহাজারী পৌরসভার প্রশাসক ঝন্টু বিকাশ চাকমা, থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম দিদারুল ইসলাম সিকদার, দোহাজারী পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুর মোহাম্মদ, পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক কামাল উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক আমির হোসেন, প্রকৌশলী আবদুর রহিম, ইউনুছ রানা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আরিফুর রহমান মারুফ, দক্ষিণ জেলা যুবদল সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান, বিএনপি নেতা সেলিম উদ্দিন, দোহাজারী পৌরসভা যুবদল আহবায়ক মোহাম্মদ ইফতিয়ার উদ্দিন সুমন, চন্দনাইশ পৌরসভা যুবদল সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জসীম উদ্দীন আহমেদ এমপি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত এই চন্দনাইশ। তিনি ১৯৭৯ সালে চন্দনাইশে খাল খনন কর্মসূচিতে এসেছিলেন। তাঁর পুত্র হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কৃষিকাজ করে কৃষক লাভবান হোক, কৃষকের জীবনমানের উন্নয়ন হোক, কৃষক উন্নত সমৃদ্ধ জীবন পাক-এই লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। খাদ্য সংকট যেন কোনভাবেই জাতীয় সমস্যার সৃষ্টি না করে সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রেখে কৃষি মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে চলেছেন। খাদ্য সংকট মোকাবিলায় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত না থাকে সেজন্য বার বার নির্দেশনা দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয় সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
বিএডিসি দোহাজারী জোন সহকারী প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে উপ সহকারী প্রকৌশলী আজমানুর রহমানের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা মীর হোসেন, আলী আকবর, শাহজাহান, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল সদস্য আবদুল্লা আল নোমান জিহাদ প্রমূখ।
চার কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খালটির দুই কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ শেষ হলে দুই পাড়ের ১৫০ হেক্টর জমিতে কৃষি কাজে সেচ ব্যবস্থা সহজ হবে। এতে প্রায় এক হাজার কৃষক উপকৃত হবেন। পাশাপাশি এলাকার পানি, মাটির দক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়বে এবং ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।