চুনতি বনাঞ্চল পুনরুদ্ধারে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ, বাঁশখালীতে দিনব্যাপী সেমিনার

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং চুনতি বনাঞ্চলের পরিবেশগত ভারসাম্য পুনরুদ্ধারে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বাঁশখালী অফিসার্স ক্লাবের হলরুমে জলদী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রেঞ্জের আয়োজনে সকালে ‘জলবায়ু সহনশীল বন পুনরুদ্ধার (পুনরুদ্ধার-চুনতি)’ প্রকল্পের আওতায় এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চল, ঢাকার বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্যা পাটওয়ারী। এতে সভাপতিত্ব করেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সোহেল রানা, ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হোসাইন, চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন, বাঁশখালীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামজিদুর রহমান তন্ময়, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রবিউল হক, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা দ্বিপান্বিতা ভট্টাচার্য, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র সরকার, চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রেঞ্জের রেঞ্জ বন কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান শেখসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সংবাদকর্মী ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জলদী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হক।

সেমিনারে চুনতি বনাঞ্চলের অবক্ষয় রোধ ও পুনরুদ্ধার, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, বন ও বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং বনজ সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে বনাঞ্চলের পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও অন্যান্য অংশীজনের সমন্বিত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আলোচনায় বন পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে দীর্ঘমেয়াদি ও জলবায়ু সহনশীল করতে পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা, কার্যকর সংরক্ষণ কৌশল এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সক্রিয় সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।