সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে শেষ করার লক্ষে উপজেলার দুইটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের ৯৩টি পূজামন্ডপের প্রত্যেকটিতে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক মো. রাজিব হোসেন।
পরিদর্শনকালে মন্ডপে উপস্থিত সবার সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করার পাশাপাশি পূজামন্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তদারকি এবং পুরোহিতদের শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) চন্দনাইশ উপজেলার সবচেয়ে দুর্গম ইউনিয়ন বান্দরবান জেলার সীমান্তবর্তী পাহাড় বেষ্টিত ধোপাছড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডস্থ ক্যাম্পপাড়া এলাকায় ‘ধোপাছড়ি দুর্গা মন্দির পূজামন্ডপ’ পরিদর্শনের মাধ্যমে উপজেলার সবগুলো পূজামণ্ডপ পরিদর্শন কার্যক্রম সমাপ্ত করেন।
ধোপাছড়ি পূজামন্ডপ পরিদর্শনকালে তাঁর সাথে ছিলেন চন্দনাইশ আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মো. ফজলে রাব্বি, ধোপাছড়ি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লতিফা আক্তার, টিপু দাস মেম্বার, ১নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা রুবেল, ধোপাছড়ি বাজার কমিটির সভাপতি আানিছুর রহমান, সাংবাদিক ওসমান চৌধুরী, ডা. দুলাল নাথ প্রমুখ।
দুর্গম এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিব হোসেনের আগমনে আনন্দ প্রকাশ করেন পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও মন্ডপে আগত ভক্তবৃন্দ।
তারা বলেন, এর আগে চন্দনাইশের কোনো ইউএনও উপজেলার সবকটি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করতে দেখা যায়নি। প্রত্যন্ত অঞ্চল ও দূর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ, গত রবিবার উপজেলার বরকল ও বরমা ইউনিয়নের ২৯ টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের মাধ্যমে পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেন ইউএনও মো. রাজিব হোসেন।
পরেরদিন সোমবার দোহাজারী পৌরসভার ১৭ টি, মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত উপজেলার জোয়ারা, কাঞ্চনাবাদ, হাশিমপুর, সাতবাড়িয়া, বৈলতলী ইউনিয়ন ও চন্দনাইশ পৌরসভার ৪৬ টি এবং বুধবার মহানবমীর দিন ধোপাছড়ির একমাত্র পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের মাধ্যমে উপজেলার ৯৩ টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন শেষ করেন।