বিএনপি নেতা মাহুবুবল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের গুটি কয়েকজনের ঝটিকা মিছিলে উপস্থিত অংশ নেয়ার অভিযোগে চট্টগ্রামে এক বিএনপি নেতাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ ওঠেছে খোদ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই। ঘুষ ও চাঁদা না দেওয়ায় তাকে মিছিলে না থেকেও সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আসামি বানানো হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী ওই বিএনপি নেতার।

অভিযোগকারী মাহবুব আলম (৫২) নগরীর ১২ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং ডবলমুরিং থানার সিটিজেন ফোরামের সদস্য।

জানা গেছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন হাজীপাড়া এলাকায় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী হঠাৎ করেই একটি ঝটিকা মিছিল বেরন করেন। খুবই সংক্ষিপ্ত ওই ঝটিকা মিছিল থেকে পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারলেও পরবর্তীতে ৬৪জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত ১৫/২০জনকে আসামী করে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেন। ডবলমুরিং থানার এসআই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে দায়ের হওয়া মামলায় এ পর্যন্ত ১১জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। ওই মামলায় পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং ডবলমুরিং থানার সিটিজেন ফোরামের সদস্য মাহবুব আলমকে ৩৬নং আসামী করা হয়েছে।

মাহবুবুল আলম জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর আগ্রাবাদের হাজীপাড়া এলাকায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামী লীগের মিছিলে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। বরং ওই সময় তিনি নামাজে ছিলেন, যার ভিডিও প্রমাণ রয়েছে। তবু মামলার তালিকায় ৩৬ নম্বরে তার নাম ঢুকেছে।

অভিযোগ করে মাহবুব বলেন, “আমি বিএনপির নেতা হলেও পুলিশকে সব সময় সহযোগিতা করেছি। সিটিজেন ফোরামের সদস্য হিসেবেও কাজ করি। অথচ আমাকে টাকার জন্য হয়রানি করা হচ্ছে।” তিনি জানান, কমিশনার মহোদয় বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে ওসি বাবুল আজাদ বলেন, “মামলা হয়েছে, তদন্তে যা হওয়ার তাই হবে। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ যে কেউ করতে পারে; আমি আর কোনো মন্তব্য করতে চাই না।”

সিএমপি পশ্চিম জোনের ডিসি হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, “মামলার বাদী পুলিশ। তথ্য–প্রমাণের ভিত্তিতেই নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তদন্তে যাচাই-বাছাই করা হবে, দোষী না হলে কাউকে অভিযুক্ত করা হবে না।”

আরও পড়ুন