চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের পাশে থেকেছেন। তিনি কখনো আপোষ করেননি। জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, এমনকি জেল খেটেছেন, কিন্তু জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার আন্দোলন থেকে একচুলও পিছিয়ে আসেননি। প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সাহসিকতার সাথে জনগণকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তার আপোষহীন ভূমিকার কারণেই বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জন করে ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসে। বেগম খালেদা জিয়া সবসময় মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন। গত ১৬ বছরে একমাত্র নেত্রী যাকে জোরপূর্বক জেলে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে তিনি যে দক্ষতা ও সততার পরিচয় দিয়েছেন, তা স্বাধীনতার পর থেকে অন্যতম সেরা শাসনামল হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।
তিনি বৃহস্পতিবার বিকালে চকবাজারস্থ ধুনীর পুল ফালাহ গাজী জামে মসজিদ ময়দানে বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চকবাজার থানা যুবদলের দোয়া মাহফিল এবং অসহায় দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ২০০৭ সালের এক এগারোর সময় যখন শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন, তখন খালেদা জিয়া স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছিলেন, বাংলাদেশের মানুষকে ফেলে বিদেশে যাব না। তার আপোষহীন অবস্থানের কারণেই বিদেশি মহল চাপ সৃষ্টি করেও মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। গত ১৬ বছর এত নির্যাতনের পরও খালেদা জিয়া দেশ ছাড়েননি কিন্তু স্বৈরশাসক হাসিনা ঠিকই পালিয়েছে।
তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিকে আবারো ক্ষমতায় এনে একটি দুর্নীতিমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
চকবাজার থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. সেলিমের সভাপতিত্বে ও সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো.সোহেলের সঞ্চালনায় এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন মিয়া, মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম, মহানগর বিএনপি নেতা শাজাহান চৌধুরী, চকবাজার থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রমজু মিয়া। উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম, খোরশেদ আলম, মো. আলী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, জিয়াউল হক মিন্টু, জাহেদুল হক জাকু, মো. শাহজাহান, ইদ্রিস সবুজ, সাব্বির ইসলাম ফারুক, কামরুন্নেসা, রিজিয়া বেগম মুননী, নাসরিন আক্তার, নাজমা আক্তার, ইসমাইল হোসেন লেদু, আব্দুল জলিল, জাকির হোসেন, জাবেদুল হক জাবেদ, সালাউদ্দিন কাদের আসাদ, সাদ্দামুল হক সাদ্দাম, এয়াকুব খান, সফিউল বসর সাজু, মো. বাবুল, ওসমান গনি, মো. জসিম, রহিম মিনু, আবদুস সোবাহান, মিজানুর রহমান, মো. ফরিদ, গিয়াস উদ্দিন আবিদ, ওমর ফারুক রানা, শহিদুল করিম শহিদ, নুরুল কবির বাপ্পি, আব্দুল কাদের, আবুল হোসেন, আব্বাস উদ্দিন, সাব্বির আহম্মদ, মো. মামুন, ওমর শরীফ, মো. মহসিন, ইবনে সিনা, রাজু আহমেদ, নুরুজ্জামান বাবলু, রিয়াজ শিকদার, সালাউদ্দিন বাপ্পি, মো. আক্তার, নিজাম উদ্দিন, মো. ফরহাদ প্রমুখ।