নিজস্ব অর্থায়নে ১১ সড়ক সংস্কার; প্রশংসায় ভাসছেন জনতার কাউন্সিলর নাসির উদ্দীন

নিজস্ব অর্থায়নে ১১ সড়ক সংস্কার; প্রশংসায় ভাসছেন জনতার কাউন্সিলর নাসির উদ্দীন

​চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
সরকারি অনুদানের জন্য হাত গুটিয়ে বসে না থেকে নিজস্ব অর্থায়নে এলাকার সড়ক সংস্কার করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও সমাজসেবক মো. নাসির উদ্দীন। পরিবেশবান্ধব ‘ইউনিব্লক’ ব্যবহার করে ইতোমধ্যে তিনি এলাকার ১১টি সংযোগ রাস্তার উন্নয়ন কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন।

​সর্বশেষ ১০ ও ১১তম রাস্তা হিসেবে গতকাল (শুক্রবার) বিকালে ৩৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের জামিজুরী ‘ফজুর বাপের বাড়ি সড়ক’ এবং ১৩৪ ফুট দৈর্ঘ্যের নতুন পাড়া ‘সোনা মিয়ার বাড়ি সড়ক’-এর উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে রাস্তা দুটির উদ্বোধন করেন ‘জনতার কাউন্সিলর’ হিসেবে পরিচিত সমাজসেবক মো. নাসির উদ্দীন।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামিজুরী ফাজিল মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সাবেক সদস্য শরাফত আলী, সমাজসেবক জাফর আহমদ, মো. আলাউদ্দিন, জয়নাল আবেদীন খোকন, মো. শাহজাহান, শাহ্ আলম, বদিউল আলম, সাইফুল ইসলাম, আবু, জিয়াউর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

​খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দোহাজারী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১৪টি সংযোগ রাস্তা রয়েছে, যার অধিকাংশই দীর্ঘদিন ধরে বেহাল দশায় পড়ে ছিল। বৃষ্টি ও কাদা-পানিতে এসব রাস্তায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো স্থানীয়দের। জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে নাসির উদ্দীন সরকারি অনুদানের তোয়াক্কা না করে নিজ অর্থায়নে রাস্তাগুলো টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ইউনিব্লক দিয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেন। ইতিপূর্বে ৯টি রাস্তার কাজ শেষ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল।

​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সড়কগুলো নিজস্ব অর্থায়নে চমৎকারভাবে মেরামত করে দেওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। নিঃস্বার্থ এই সমাজসেবামূলক কাজের জন্য তারা মো. নাসির উদ্দীনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

​উন্নয়নমূলক এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে মো. নাসির উদ্দীন বলেন, “জামিজুরী এলাকার সংযোগ রাস্তাগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক ছিল। রাস্তাগুলো দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। জনদুর্ভোগ লাঘবে এলাকাবাসীর প্রতি নিজের দায়িত্ববোধ এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় আমি ব্যক্তিগত অর্থায়নে ইউনিব্লক দিয়ে ১১টি রাস্তার উন্নয়ন করে দিয়েছি। বাকি থাকা ৩টি রাস্তার কাজ পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ থেকে শীঘ্রই দরপত্র আহ্বান করবে বলে জানতে পেরেছি। ওই ৩টি রাস্তা যেন দ্রুত সম্পন্ন করা হয়, সে বিষয়ে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলব।”

​ব্যক্তিগত উদ্যোগে এলাকাভিত্তিক এমন উন্নয়নমূলক কাজ স্থানীয় রাজনীতি ও সমাজসেবায় এক নতুন ও ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মনে করছেন দোহাজারীবাসী।