নাসির উদ্দিনের ব্যক্তিগত খরচে ইউনিব্লকে ৮টি সড়ক নির্মাণ

পদ-পদবিই যে সমাজসেবার একমাত্র মাপকাঠি নয়, তা নিজের কর্মের মাধ্যমে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর পদপ্রার্থী, সমাজসেবক ও দানবীর মো. নাসির উদ্দিন। সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় না থেকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে অবহেলিত যোগাযোগ ব্যবস্থায় তিনি এনেছেন এক অভূতপূর্ব ও টেকসই পরিবর্তনের ছোঁয়া। এলাকাবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকার এই উদ্যোগ স্থানীয়দের কাছে এখন পরিচিত “নাসির উদ্দিন ম্যাজিক” নামে।

​সনাতনী ব্রিক সলিং, পিচ ঢালাই বা কংক্রিটের বদলে দীর্ঘস্থায়ী ও পরিবেশবান্ধব ইউনিব্লক ব্যবহার করে আধুনিক অবকাঠামোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে জামিজুরী এলাকায়। ইতিমধ্যেই দৃষ্টিনন্দন ও টেকসই ৭টি সড়কের নির্মাণকাজ শতভাগ সম্পন্ন করে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

​সর্বশেষ ৮ম সড়কের নির্মাণকাজ শেষে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করেন মো. নাসির উদ্দিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সমাজ সেবক আলহাজ্ব কাজী হাবিবুর রহমান, আলহাজ্ব শরাফত আলী, শহীদ হোসেন মেম্বার, সকির আহাম্মদ, জয়নাল আবেদিন চৌকিদার, মীর কাশেম, জামাল উদ্দিন, শহীদ, আলাউদ্দিন, জয়নাল আবেদীন খোকন, সোহেল, আবদুল গফুর, আবু তালেব, লিটন, আবু নাইম, শাহজাহান সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জামিজুরী এলাকার রাস্তাগুলো বর্ষাকালে কাদা ও পানিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়তো। সেখানে আজ শোভা পাচ্ছে ইউনিব্লকে সাজানো দৃষ্টিনন্দন সড়ক। ফলে বয়স্ক মানুষ, শিক্ষার্থী ও মুমূর্ষু রোগীবাহী যান চলাচলে ফিরে এসেছে স্বস্তি। জনস্বার্থে মো. নাসির উদ্দিনের এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও উন্নয়নভাবনা আজ ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গণ্ডি পেরিয়ে পুরো দোহাজারী পৌরসভায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

​নিজের এই উন্নয়নমূলক উদ্যোগ প্রসঙ্গে মো. নাসির উদ্দীন বলেন, “জামিজুরী এলাকার ১১টি সংযোগ সড়কের অবস্থা খুবই বেহাল ছিল। রাস্তাগুলো দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে মানুষকে ভীষণ দুর্ভোগ পোহাতে হতো। জনদুর্ভোগ লাঘবে এলাকাবাসীর প্রতি নিজের দায়িত্ববোধ এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ব্যক্তিগত অর্থায়নে ইউনিব্লক দিয়ে সড়কের উন্নয়নকাজ শুরু করেছি। ৮টি রাস্তা ইতিমধ্যেই উন্মুক্ত করা হয়েছে এবং বাকি ৩টি রাস্তার কাজও দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।”