চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের সিএনজি অটোরিকশাকে পিকআপ চাপা দিলে মা ও ছেলে নিহত এবং ৩ জন আহত হয়েছে।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার করেরহাট-খাগড়াছড়ি সড়কের করেরহাট ফরেস্ট অফিস এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার বাগানবাজার ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর শান্তিনগর গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৩৫) এবং ছেলে মোহাম্মদ হোসেন (১০)। আহতরা হলো রামগড় উপজেলার কৌচিয়া গ্রামের আনজু বেগম (৪৫), তার ছেলে নাহিদুল ইসলাম (৩), নোয়াখালী জেলার চরজব্বার থানার চরপাড়া উল্ল্যাহ গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে রাশেদ (২০)।
আহতদের মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জান যায়, দুর্ঘটনায় নিহত রাবেয়া বেগম এবং তার ছোট ছেলে মোহাম্মদ হোসেনকে নিয়ে সিএনজি অটোরিকশাযোগে বারইয়ারহাট যাচ্ছিলেন। বারইয়ারহাট থেকে তারা চট্টগ্রাম শহরে তার একমাত্র অসুস্থ্য মেয়েকে দেখতে শ^শুর বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল। পথিমধ্যে তারা করেরহাট-খাগড়াছড়ি সড়কের করেরহাট ফরেস্ট অফিস এলাকায় পিকআপ চাপায় ঘটনাস্থলে নিহত হয়। নিহতদের লাশ ও দুর্ঘটনা কবলিত সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক বাঁধন দাশ বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই জনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তারা সম্পর্কে মা ও ছেলে। এছাড়া আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।’
জোরারগঞ্জ থানার এএসআই মো. নূরে আলম বলেন, ‘দুর্ঘটনার খরব পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের লাশ ও দুর্ঘটনা কবলিত সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। পিকআপটি আটক করার জন্য তৎপরতা চলছে।’
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম আবদুল হালিম বলেন, ‘আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুইটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’