ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম -৭ (রাঙ্গুনিয়া) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. এটিএম রেজাউল করিমের উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মতবিনিময়সভা আজ ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় তিনি ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক রাঙ্গুনিয়া গড়তে একগুচ্ছ কর্ম পরিকল্পনার কথা জানান।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, উপজেলা আমির মাওলানা হাসান মুরাদ, নায়েবে আমির মাওলানা শওকত হোসাইন, সেক্রেটারী জেনারেল মাস্টার কামাল উদ্দিন, উপজেলা শিক্ষক ফেডারেশন সভাপতি মাওলানা ইসমাইল হোসাইন, মিডিয়া,তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা শিবির সভাপতি ওয়াহিদুল ইসলাম, সদর শিবির সভাপতি মো. কুতুব উদ্দিন, উপজেলা যুব বিভাগের আহবায়ক সরোয়ার হোসাইন, যুগ্ন আহবায়ক মহিউদ্দিন বাবু, নির্বাচনী প্রচার সম্পাদক মাস্টার হোসাইন উদ্দিন।
ডা. এটিএম রেজাউল করিম বলেন, ছাত্র জীবন থেকেই আমার রাজনীতির হাতেখড়ি। কোনো উত্তরাধিকার বা পারিবারিক ঐতিহ্যে নয়, আমি উঠে এসেছি এই মাটির গভীর থেকেই। তাই আমি এই মাটির সাথে রক্ত ঋণে আবদ্ধ।
সেই দায় থেকে বলছি, আমি কোনো একক দলের প্রার্থী নই, আমি জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেরই প্রার্থী। আমার একটাই পরিচয় আমি এই মাটির সন্তান।
পেশাগত কারণে বহুদিন ধরে রাঙ্গুনিয়াবাসীর সাথে মেলা-মেশার সুযোগ পেয়েছি। চেষ্টা করেছি সবাইকে একই পরিবারের সদস্য হিসেবে সেবা দিতে। সবাইকে সমান চোখে দেখার চেষ্টা করেছি।
তিনি আরো বলেন,স্বাধীনতার বিগত ৫৪ বছরে, রাঙ্গুনিয়াবাসী বহু বার জন প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছে। আমি কারো সমালোচনা করতে চাই না। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা চেষ্টা করেছেন রাঙ্গুনিয়ার উন্নয়নের। আমরা সকলের কাজকে শ্রদ্ধার সাথে মূল্যায়ন করি।তারপরও আমি মনে করি, রাঙ্গুনিয়ার গ্রামীণ এলাকা উন্নয়নের সেই কাঙ্খিত ছোঁয়া পায়নি।
আয়তনে ও জনসংখ্যার বিচারে এ উপজেলা খুব বেশী বড় নয়। এরকম প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ খুব কমই উপজেলা রয়েছে বাংলাদেশে। কিন্তু তার কাঙ্খিত সুফল রাঙ্গুনিয়ার জনগণ পায়নি।
তিনি মরিয়মনগর টু রাণীর হাট ডিসি রোড প্রশস্তকরণ, চট্টগ্রাম- কাপ্তাই সড়ক চার লাইনে উন্নীত করা, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও কারিগরি শিক্ষা সহ নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্টা,বয়স্ক শিক্ষা চালু, জনগনের চিত্ত বিনোদনের জন্য পার্ক ও অবকাশ কেন্দ্র নির্মাণ, গোডাউন সেতুর সংস্কার, লিচুবাগান-রাইখালী সেতু দ্রুত নির্মাণ, কর্ণফুলীর ভাঙন রোধে নদীর বালু লুট বন্ধ করা, উপজেলা হাসপাতালের আধুনিকায়ন, দক্ষিণ ও উত্তর রাঙ্গুনিয়ায় দুইটি ১০ বেডের সরকারী হাসপাতাল প্রতিষ্টা, গুমাইবিল সুরক্ষা, চন্দ্রঘোনা দোভাষী বাজারকে পৌরসভায় উন্নীত করা,ঘুষ,দুর্নীতি রোধ সহ বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা সাংবাদিকদের জানান।