গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিএনপির বিকল্প নেই: পটিয়ায় লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে এনামুল হক এনাম 

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম বলেন, দেশে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হলে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে নির্বাচনের বিকল্প নেই। কিন্তু নির্বাচনের আগ মুহূর্তে একটি গোষ্ঠী নানাবিধ অপপ্রচারের লিপ্ত হয়েছে। দেশের গনতন্ত্রকামী জনগণ এব্যাপরে সচেতন আছে। কোন ষড়যন্ত্রকারীর অশুভ পায়তারা বাংলাদেশে আর হতে দেয়া হবে না।  আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন রাষ্ট্রের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন পক্ষ থেকে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার জন্য নানা ধরনের গুজব-অপপ্রচার চালাতে পারে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সেসব গুজব ও অপপ্রচারের জবাব দিতে হবে।’
১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) বিকাল ৪টায়, পটিয়া উপজেলার শান্তির হাট এলাকায় ৬নং কুসুমপুরা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্দোগে তৃণমূলে বিএনপিকে সুসংগঠিত করে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীদের মাঝে লিফলেট বিতরণকালে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম এসব কথা বলেন।
লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি শুরু করার পূর্ব মূহুর্তে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য প্রদানকালে এনামুল হক এনাম আরও বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা জনগণের মুক্তির রূপরেখা। রাষ্ট্র্র মেরামতে ৩১ দফা গ্রামগঞ্জের সাধারণ জনগণ সহ সকলশ্রেণীর জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করছে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রতিটি নাগরিক ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও প্রকৃৃত স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে। বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিকে যদি দেশের মানুষ সমর্থন করেন, তাহলে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে একটি আধুনিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তুলবে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মঈনুল আলম ছোটন, হাজী কামাল উদ্দীন, উপজেলা বিএনপি নেতা মাহাবুবুর রহমান, হাজী ইব্রাহিম সওদাগর, পটিয়া উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মুহাম্মদ সাইফুদ্দিন, আবু সালেহ মুহাম্মদ সাইফুদ্দিন, জেলা জাসাসের সাবেক সদস্য সচিব নাছির উদ্দীন, কুসুমপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোমেন সওদাগর, মাহাবুবুল আলম, আবদুর রহমান হিলু, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক হামিদুর রহমান পিয়ারু,  জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক হামিদুর রহমান পিয়ারু,  উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইয়াসিন আরাফাত ইয়াসিন, সদস্য সচিব অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক ওবায়দুল হক রিকু, সাবেক উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মাহবুল আলম পারভেজ, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম হোসেন নয়ন, শাহাদাৎ হোসেন, বিএনপি নেতা কুসুমপুরা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আহমদুল হক, মোহাম্মদ আলমগীর  আজিজুল হক, আহমেদ হোসেন মোতয়াল্লী, একরাম খাঁন, বাবুল আবছার, আবু তৈয়ব, মোঃ শফি, আইয়ুব আলী, আবদু ছাত্তার, মোঃ আজিজ, মোঃ ইয়াসিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল সিকদার সুমন, সেকান্দর হোসেন নয়ন, সাইফুর রহমান, শহীদুল আনোয়ার লিটন, মোঃ সোলাইমান, ইসমাইল হোসেন, ইমরানুল হক বাহাদুর, আবদুল করিম মেম্বার, আরিফুর রহমান তারেক, মোঃ এরশাদ, গাজী দুলাল, লায়ন নাজিম উদ্দীন, নুরুল আমিন জুয়েল, কুসুমপুরা  ইউনিয়ন যুবদল নেতা জিকে তাহের, মোঃ আলমগীর মোঃ মহিউদ্দিন, মোঃ জহির আলম, মোহাম্মদ ফরিদুল আলম, মোঃ রাশেদ, হাকিম আলী টিপু, আমজাদ উদ্দিন লিটন,  মোঃ দিদার, মোঃ মোরশেদ, কফিল উদ্দিন, আবদুল মাবুদ, আবদুল মন্নান, মোঃ আনোয়ার  উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা  মাকসুদুল হক রিপন, ওসমান আহমেদ শান্ত, মোঃ রুবেল, মোঃ ইয়াসিন, আবদু শুক্কুর,  ছাত্রদল নেতা এমরান হোসেন জীবন,  কামরুল হাসান জুয়েল, আসাদুজ্জামান সৌরভ, নেজাম উদ্দিন, জয়নাল আবেদিন, আবছার উদ্দীন, মোহাম্মদ ইফতেখার প্রমূখ।
আরও পড়ুন