পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভায় ‘দোহাজারী মাসুমিয়া ইসলামিয়া সুন্নিয়া নূরাণী ইবতেদায়ি মাদ্রাসা’র উদ্যোগে নাতে রাসুল, দরুদ ও সালাম এবং নারায়ে রিসালাত শ্লোগানের মধ্য দিয়ে জশনে জুলুছ ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে পুরাতন রেলওয়ে ষ্টেশন সংলগ্ন মাদ্রাসা থেকে শুরু হয়ে বর্ণাঢ্য র্যালি পূর্ব দোহাজারী, বেগম বাজার, বাবু খান বাড়ি, নাছির মোহাম্মদ পাড়া, নতুন রেলওয়ে ষ্টেশন প্রদক্ষিন করে পুনরায় মাদ্রাসায় এসে শেষ হয়। র্যালিতে মাদ্রাসার শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবক, শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করে নবী করিম (সা.) এঁর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করে। বড়দের সাথে একসাথে আনন্দ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য উপভোগ করে নবীপ্রেম ও ধর্মীয় চেতনা ভাগ করে নেয় কোমলমতি শিশুরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, রসূলাবাদ ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আহমদ রেজা নকশবন্দি, বাদশা মিয়া, মাওলানা মঈনুদ্দিন কাদেরি, আকতার হোসেন হিরু, মো. হোছেন, জিন্নাত আলী, ফয়সাল, ফেরদৌস, ইউসুফ, অভি, ইমন, রুমি আকতার, বেলাল হোসেন প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আহমদ রেজা নকশবন্দি বলেন, বর্তমান বিশ্বের মুসলমানদের কাছে জশনে জুলুছ আর অপরিচিত কোন বিষয় নয়। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বিশাল রহমত এর ভাণ্ডার নিয়ে পৃথিবীর বুকে শুভাগমন করেছিলেন সে নেয়ামত কেবল মানবজাতির জন্য নেয়ামত এমনটি নয়, বরং তা ছিল সমগ্র বিশ্বের আঠারো হাজার মাখলুকাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত। তাই প্রিয় নবী (সা.) এর শুভাগমন দিবসকে উপলক্ষ করে প্রতি বছর রবিউল আউয়াল মাসে নেয়ামতের শোকরিয়া প্রকাশের নিমিত্তে মিলাদ মাহফিল করা, জিকির আজকার করা, আনন্দ উদযাপন করা, জশনে জুলুছ করা কেবল নৈতিক দায়িত্ব নয় বরং বড় ফজিলতপূর্ণ ইবাদতের কাজ।”
পরে মিলাদ-কিয়াম, দোয়া-মোনাজাত ও তাবারুক বিতরণ করা হয়।