চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ওমর ফারুকের সমর্থনে চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডস্থ রায়জোয়ারা এলাকায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ, তরুণ ভোটার এবং স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী, এলডিপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
৭নম্বর ওয়ার্ড এলডিপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মুন্সির সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা এলডিপির সহ-সভাপতি আবিদুর রহমান বাবুল।
দোহাজারী পৌরসভা গনতান্ত্রিক যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দোহাজারী পৌরসভা এলডিপির সভাপতি মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী, আবু তৈয়্যব কোম্পানি, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ কুসুম দত্ত, মোহাম্মদ ফারুক, ইউসুফ সেরু, ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলডিপি সাধারণ সম্পাদক শেয়ার আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়া, আহমদ মিয়া মাষ্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির উদ্দীন, ৮নং ওয়ার্ড এলডিপি সভাপতি আলী আকবর, ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি আবুল বশর, ৪নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, পৌরসভা গনতান্ত্রিক যুবদল সভাপতি কায়সার হামিদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মুবিন, গনতান্ত্রিক শ্রমিক দল সভাপতি মো. আনিছ, সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়্যব।
অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন দোহাজারী পৌরসভা গনতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি নিক্সন চৌধুরী, গনতান্ত্রিক যুবদল ৭নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল্লাহ, পৌরসভার দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম খান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, পৌরসভা গনতান্ত্রিক ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আবদুল গফুর, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফয়সাল, ৭নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি অমিত হায়দার প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম-১৪ আসন কর্ণেল অলির দুর্গ হিসেবে দেশব্যাপী পরিচিত। বিগত সময়ে ড. কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বিএনপি ও এলডিপির হয়ে এ আসনে বার বার নির্বাচিত হয়েছেন। মন্ত্রী থাকাকালে চট্টগ্রাম-১৪ আসন সহ পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামে তিনি ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। কর্ণেল অলির সন্তান হিসেবে পিতার পরিচয় ব্যবহার করে অধ্যাপক ওমর ফারুক কখনো এলাকায় কোন ধরণের প্রভাব বিস্তার বা অন্যায়-অনিয়মের সাথে জড়িত ছিলেন না।
নির্বাচন আসলে অনেকে গরুর মতো বিক্রি হয়, তারা বেশি দূর যেতে পারে না। এলডিপি বা কর্ণেল অলির সঙ্গে অতীতে যারা বেইমানি করেছে, তারা ধ্বংস হয়েছে। তবে এলডিপির ত্যাগী কর্মীরা কর্ণেল অলিকে ছেড়ে যায়নি, যাবেও না।
সভা শেষে স্থানীয় জনগণ ও নেতাকর্মীরা অধ্যাপক ওমর ফারুককে ছাতা মার্কায় ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।