ফ্যাসিবাদের দোসররা বিএনপি ও প্রশাসনের ছত্রছায়ায় আছে বলে মন্তব্য করেছেন গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে নগরীর গুডস হিলের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের মধ্যেও ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদের অনুসারীরা রয়েছেন।’
বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, ‘যেহেতু আজকে নিজের বাসভবনে আপনাদের সকলকে দাওয়াত দিয়ে এনেছি, তাই আমারতো প্রশ্নের উত্তর সাদা-সরলভাবে দিতে হয়। সাদা-সরলভাবে দিতে গেলে, আঁই চট্টগ্রামর ভাষাতই হই ফেলাই— আঁরে সবুজ সংকেত দিইয়ে।’
তিনি বলেন, ‘একেবারে হাই কমান্ড থেকে বলেছেন, আপনি এগিয়ে যান। এখন সবুজ সংকেত পাওয়ায় আমি বাড়িতে সাংবাদিকদের ডেকে মতবিনিময় করছি।’ ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমার হাই-কমান্ড আমাকে অবজ্ঞা করবে না। দল থেকে মনোনয়ন না পেলে দলের মূল স্রোত ধারা থেকে ছিঁটকে পড়া হয়। এখানে ইন্ডিপেন্ডেন্ট (স্বতন্ত্র) ভাবে ইলেকশন করার কোনো রকমের সুযোগ নাই।’
রাউজান এলাকায় অস্ত্র-সন্ত্রাস প্রসঙ্গে গিয়াস উদ্দিন কাদের বলেন, ‘সবার মনে সংশয় আছে, এতোগুলো খুন-খারাপির পর কি রাউজানে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে? আমি নিশ্চিত শতভাগ হবে।’
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দুই নেতা—দলটির স্থগিত ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কমিটির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার। দুজনের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা হওয়ায় দলকে এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কে হবেন রাউজান আসনের প্রার্থী। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দলীয় প্রার্থী হতে হলে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দলের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হয়। একই আসনে এক দলের একাধিক প্রার্থী বৈধ হতে পারেন। তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আগেই একজনকে চূড়ান্ত করতে হবে সংশ্লিষ্ট দলকে।