৫৭ টাকার গেইট পাশ ২৩০ টাকা করার প্রতিবাদে বন্দরে পণ্য খালাস বন্ধ

চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রেইলার, ট্রাক, কভার্ডভ্যান প্রবেশের ফি ৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩০ টাকা করার প্রতিবাদে ট্রেইলার, ট্রাক, কভার্ডভ্যান অঘোষিত ধর্মঘটের কারণে পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে।

গত ১৩ অক্টোবর বন্দর নিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক পত্রে ১৪ অক্টোবর রাত থেকেই বন্দরে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভারী যানবাহন ৫৭ টাকার স্হলে ২৩০ টাকা আর হালকা যানবাহন ও মোটরসাইকেল ২৩ ১১৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। এরই প্রতিবাদে ১৫ অক্টোবর থেকে ট্রেইলার ও ১৮ অক্টোবর সকাল থেকে সকল প্রকার যানবাহন বন্দরে প্রবেশ না কারার ফলে পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ও ফ্লাটবেড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, কর্মবিরতি বা ধর্মঘট নয়, প্রাইম মুভার মালিকরা ৫৭ টাকার পাস ২৩০ টাকা করায় গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছেন।কারণ এই বাড়তি টাকা শ্রমিকরা দেবে নাকি মালিকরা দেবে সিদ্ধান্ত হয়নি।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ভারী গাড়ি (প্রাইম মুভার, ট্রেইলার, লং ভ্যাহিক্যাল) যখন ঢাকা বা কোনো গন্তব্যে যায় তখন আমাদের লাইন খরচ (ফি, টোল, বকশিশ) ফিক্সড করা থাকে।
তেলের দাম বাড়লে সেটি রিভাইস করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আমরা বন্দরের পরিচালক (নিরাপত্তার) সঙ্গে কথা বলেছি।বন্দর চেয়ারম্যান ঢাকা থেকে এলে আবার আলোচনা হবে আশাকরি।

চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতি নেতা মোঃ শাহাজাহান বলেন, বন্দরে প্রবেশের
ক্ষেত্রে অনলাইনে গেইট পাশ করা লাগে, ড্রাইভারদের কাছে অনলাইন সিস্টেম না থাকার কারণে বাহির থেকে এই গেইটপাশ ইস্যু করতে ৩০০ টাকারও বেশি লাগে, তাছাড়া ড্রাইভাররা দিনে দুই তিনবার বন্দরে প্রবেশ করা লাগে সেক্ষেত্রে ৮০০/৯০০ টাকা খরচ হবে এই টাকা কে দিবে তা সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত আমরা বন্দরে ট্রাক প্রবেশ বন্ধ রেখেছি।

এদিকে, ট্রাক ও প্রাইম মুভার ট্রেইলার চলাচল না করায় উদ্বেগ জানিয়েছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। তাদের আশঙ্কা এভাবে চলতে থাকলে একসময় অচলাবস্থা তৈরি হবে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নৌ পরিবহন উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।