কোনো রূপেই ফিরতে পারবেনা আওয়ামী লীগ : মির্জা ফখরুল

যে দলের নেত্রী তাদের নেতাকর্মীদেরকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়, তার আবার ফিরে আসা না আসা হিসাব কষে লাভ নেই। তিনি আসার জন্য যাননি, সেটা পাগলেও বুঝে। পতিত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার সরকারের ফেরত আসার প্রশ্নই আসেনা। জনগণ তাদেরকে চিরদিনের জন্য বিতাড়িত করেছে। সরকারতো দূরে থাক, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফিরে আসার চিন্তা এখন দিবাস্বপ্ন। সুতরাং দেশের জনগণকে জুজুর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। জনতার ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের কাছে আওয়ামী লীগ আর পাত্তা পাবেনা বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, এখানে যখন আপনাদের একটি সভা হচ্ছে, ঠিক একই সময়ে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের নিউমার্কেট এলাকায় অন্য একটি সভা চলছে। তাদের একটাই দাবি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। আমরা যারা এই মাঠে আছি শুধু তারা নয়, সারা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ চায় না এই আওয়ামী লীগকে। কারণ, তারা গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে, বাকশাল কায়েম করেছে। এই আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মানুষের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে, একদলীয় শাসন বাকশাল কায়েম করেছে, গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদেও ৩১দফায় সংস্কারের সকল কিছু উপস্থাপন করা হয়েছে। সেটা অনুসরণ করলেইতো সংস্কার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হওয়ার কথা। দেশের গণতন্ত্র উন্নয়নসহ এমন কোনো বিষয় নাই আমাদরে ৩১ দফায় আসেনি।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাৎ হোসেন।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল, যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি এস এম জিলানী, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল্লাহ, সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান নাজিম প্রমুখ।

সমাবেশের বিশেষ আকর্ষণ ছিলো জাতীয় ক্রিকেটার তামিম ইকবাল। তার উপস্থিতিতে কড়তালি আর উচ্ছাস ছিলো চোখে পড়ার মতো।

আরও পড়ুন