পাক প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন

সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আরিফ আলভি’র বিতর্কিত ভূমিকার পরিপ্রেক্ষিতে আলভির আর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পদে থাকা উচিৎ নয়।

আবেদনকারী (গোলাম মুর্তজা খান)’র অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট আলভি প্রয়োজন অনুযায়ী তার কাজ করছেন না। আইন অনুযায়ী কাজ করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার অধীনে রয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রেসিডেন্ট সেই ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। তার কথা ও আচরণের মাধ্যমেও সংবিধান লঙ্ঘন হচ্ছে। এমন অবস্থায় তিনি একটি রাষ্ট্রের প্রধান হিসাবে এই অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ পদে থাকার অধিকারী নন।

প্রেসিডেন্ট আলভি ২০২২ সালের এপ্রিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্দেশে জাতীয় পরিষদ ভেঙ্গে দিয়েছিলেন। তার এ পদক্ষেপ দেশের পুরো রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ধ্বংস করে দেয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে।

শনিবার (২৫ নভেম্বর) সংবিধানের ১৮৪(৩) অনুচ্ছেদের অধীনে ওই পিটিশন দাখিল করেন। এতে তিনি প্রেসিডেন্টের সচিব এবং আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রেসিডেন্ট সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের তারিখও দেননি। অথচ তিনি পুরো জাতির প্রতিনিধিত্ব করছেন।

তিনি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (পিটিআই) সাহায্য করার জন্য তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। পিটিআই-এর সভা ও ক্রিয়াকলাপের জন্য প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্টের এই কাজ সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক।

‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল’ এবং ‘পাকিস্তান আর্মি অ্যামেন্ডমেন্ট বিল’-এ স্বাক্ষর না করা তার পক্ষপাতিত্বকে ফুটিয়ে তুলেছে। আবার বিভিন্ন সময় বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে তিনি তার পদের অবমাননা করেছেন।

এই কাজগুলি প্রেসিডেন্ট হিসেবে আলভিকে অযোগ্য প্রমাণ করেছে বলে দাবি পিটিশনকারী। তিনি সংবিধানের ৫ এবং ১২ তম অনুচ্ছেদের বিধান লঙ্ঘন করেছেন। প্রেসিডেন্ট তার সাংবিধানিক ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছেন।

খবরে- জিও টিভি।
আরও পড়ুন