তাসকিন ও শরিফুলের অনুপস্থিতিতে পেসারদের এই পারফরম্যান্সের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। আগের ম্যাচে ছয় উইকেট নেওয়া শরিফুলও এই টেস্টে খেলছেন না। অথচ তাঁদের ছাড়াই কার্যকর থাকছে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ। হাবিবুলের চোখে, বাংলাদেশের ক্রিকেটে এটাই বড় পরিবর্তন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে আমরা এখন চার নম্বরে আছি। এই সাফল্যের পেছনে পুরো দলের অবদান থাকলেও আমাদের পেসাররাই মূলত এই বিপ্লবটা ঘটাচ্ছেন।’
ফাইনালে ওঠার পথ যে সহজ নয়, সেটিও মানছেন হাবিবুল। তবে এই চক্র শুরুর আগে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে খুব বেশি আলোচনা ছিল না। এখন সেই জায়গায় পৌঁছানোকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তিনি। হাবিবুল বলেন, ‘কাজটা মোটেও সহজ নয়। এই সাইকেল শুরুর আগে কেউ ভাবেনি বাংলাদেশ ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারবে। আমরা সেই সুযোগটা তৈরি করতে পেরেছি, এটাই বড় বিষয়। একটা স্বপ্ন তো সবারই থাকে। এখন আমাদের চেষ্টা থাকবে সুযোগটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করা।’
সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও পেস আক্রমণের গভীরতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। চোটের কারণে নাহিদ রানাকে পাওয়া নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাঁকে স্ক্যান করানো হচ্ছে। প্রয়োজনে দেশের বাইরেও পাঠানো হতে পারে। তবে দ্রুত ফেরানোর চেষ্টা থাকলেও তাঁর মাঠে ফেরার নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে পারছেন না নির্বাচকেরা।
এক প্রশ্নের জবাবে হাবিবুল বাশার বলেন, ‘নাহিদ রানা নিঃসন্দেহে একজন স্পেশাল বোলার, বিশ্ব ক্রিকেটেই সে আলাদা। তবে আমাদের অন্য পেসারদেরও সমান কৃতিত্ব দিতে হবে। হাসান মাহমুদ কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে উইকেট পাচ্ছে, এবাদত ফ্ল্যাট উইকেটে দারুণ বল করেছে। নাহিদকে নিয়ে আমরা কোনো তাড়াহুড়া বা ঝুঁকি নিতে চাই না।’