চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পৃথক দুই স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের জোরারগঞ্জে এক নারী এবং সন্ধ্যায় বারইয়ারহাটে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু হয়। রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকলে অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় শনাক্ত করে রেলওয়ে পুলিশ। সীতাকুন্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আশরাফ সিদ্দিকী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল ২টার দিকে উপজেলার ৩ নম্বর জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাপাহাড় এলাকায় চট্টগ্রামমুখী রেললাইনের ডাউন লেনে খতিজা বেগম (৫৫) নামে এক নারী ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহত খতিজা সোনাপাহাড় এলাকার একটি দরগা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়। নিহত খতিজা বেগম উপজেলার ৮ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের মোহাম্মদ হানিফের স্ত্রী। অন্যদিকে একই দিন সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বারইয়ারহাট কলেজ গেইট এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে ইমতিয়াজ উল হক রাহাত (২২) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় তার দেহের বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সে উপজেলার ৭ নম্বর কাটাছরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাহবুব মাস্টার বাড়ির জসিম উদ্দিনের বড় ছেলে।
সীতাকুন্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, ‘জোরারগঞ্জের দক্ষিণ সোনাপাহাড় এলাকায় এক নারী ও সন্ধ্যায় বারইয়ারহাট কলেজ গেইট এলাকায় ইমতিয়াজ উল হক নামে এক যুবক ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন। খতিজা বেগমের মরদেহ আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে শনিবার বিকেলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ইমতিয়াজ উল হকের পরিচয় রবিবার বিকেলে শনাক্ত করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। পরিবার এলে লাশ হস্তান্তর করা হবে।’