বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কতৃর্পক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের চলমান সংস্কার কার্যক্রম দ্রুত শেষ হলে,২০৩০ সালের মধ্যে বন্দরের সক্ষমতা এখনের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
চেয়ারম্যান আজ রোববার (১০ আগস্ট) বিকালে চট্টগ্রাম বন্দরে নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালে শিপিং এবং লজিস্টিক এজেন্ট ডেস্ক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
চেয়ারম্যান বলেন, বন্দরের নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল, চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড, নৌবাহিনী পরিচালনার দায়িত্ব নেয়ার পর কনটেইনার হ্যান্ডলিং বেড়েছে ৩০ শতাংশ এবং জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় কমেছে ১৩ ঘণ্টা। ফলশ্রুতিতে বন্দর ব্যবহারে দুর্নীতি ও হয়রানি আগের চেয়ে অনেক কমে আসছে।
চেয়ারম্যান আরো বলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের প্রধান প্রধান বন্দরগুলোতে বিদেশি অপারেটর নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় সরকার। এ বছরের শেষ নাগাদ দেশের সবগুলো বন্দরের ক্ষেত্রে এল সি টি ,লালদিয়া এবং বে টার্মিনাল এই তিনটি প্রকল্পের অপারেটর নিয়োগ করে দেয়া সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এল সি টি প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সুবিধা, ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু হবে।
অপরদিকে বে টার্মিনাল সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রতিদিনের পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। লালদিয়া উন্নয়ন প্রকল্প চট্টগ্রাম বন্দরে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে, এলাকায় নতুন জেটি, উন্নত নৌপথ, কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে। লালদিয়ার সম্প্রসারণ সম্পন্ন হলে একসঙ্গে আরো বেশি সংখ্যক বড় জাহাজ নোঙর করতে পারবে এবং পণ্য ওঠানামার সময় অর্ধেকে নেমে আসবে।
ব্রিফিং শেষে চেয়ারম্যান বন্দরে সংস্কার কাজ পরির্দশন এবং ভেহিক্যাল ও কন্টেইনার ডিজিটাল একচেঞ্জ সিস্টেম উদ্বোধন করেন।
এসময় চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামানসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা , প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।