আপীল বিভাগেও স্থগিত চবি এলামনাইয়ের ফজু-ফারুকী কমিটি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের এস এম ফজলুল হক ও মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীর নেতৃত্বে গঠিত কমিটিকে কেন অবৈধ ও বেআইনী ঘোষণা করা হবেনা জানতে চেয়ে গত ০১ জুলাই,২০২৫ খ্রীস্টাব্দ হাইকোর্ট রুল জারী করেন এবং কমিটির উপর স্টে-অর্ডার (স্থগিতাদেশ) প্রদান করেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে ফজু-ফারুকী কমিটির পক্ষ থেকে এস এম ফজলুল হক বাদী হয়ে আপীল বিভাগে আবেদন দাখিল করলে সোমবার (২৮ জুলাই) তা নাকচ করে দিয়ে পূর্বের রায় বহাল রাখেন। হাইকোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মোঃ রেজাউল হক ও ফারাহ মাহবুবের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গঠনতন্ত্র লংঘন করে কমিটি গঠনের অভিযোগ এনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সৈয়দ মোঃ সোহরাব হোসেন সোহেল হাইকোর্টে পিটিশন দাখিল করলে আদালত ১ জুলাই ২০২৫ ফজু-ফারুকীর কমিটিকে বেআইনী ও অবৈধ ঘোষণা করে স্থগিতাদেশ জারি করেন। পরবর্তীতে ওই আদেশের বিরুদ্ধে ফজু-ফারুকী আপিল করলে গত ১৬ জুলাই চেম্বার জর্জ আদালত থেকে নো-অর্ডার দিয়ে শুনানির জন্যে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্যে পাঠিয়ে দেন। সোমবার (২৮ জুলাই) পুর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানী শেষে এস এম ফজলুল হকের লিভ টু আপীল খারিজ করে দিয়ে হাইকোর্ট বিভাগকে রুল নিষ্পত্তির আদেশ দেন।

এস এম ফজলুল হকের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র এডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং সৈয়দ মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন সোহেলের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র এডভোকেট ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, এডভোকেট রুকন উদ্দিন মোহাম্মদ ফারুক, এডভোকেট কেএম সাইফুল ইসলাম,

ফজু-ফারুকীর কমিটিকে অবৈধ ও গঠনতন্ত্র বিরোধী দাবি করে আদালতে আবেদন দাখিল করা সৈয়দ মোঃ সোহরাব হোসেন সোহেল বলেন, “এস এম ফজলুল হক এবং ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীর কমিটি যে, অগঠনতান্ত্রিক, অবৈধ তা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক বিবেচিত ও নির্দেশিত হলো। এই রায়ের মাধ্যমে ফজু-ফারুকীর অগঠনতান্ত্রিক ও জবরদখলের ঘটনা সর্ব্বোচ্চ আদালত কর্তৃক অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হলো। এতে করে সত্যের জয় হলো।

আরও পড়ুন