চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ইউপি সদস্যকে হত্যার উদ্দেশ্যে অবস্থান নেয়া তৌহিদ বাহিনীর সদস্য মোহাম্মদ নুরুল আমিনকে (৩০) অস্ত্রসহ আটক করেছে সেনাবাহিনী।
সোমবার (২৮ জুলাই) উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চাকফিরানি থেকে ভোর ৫টার দিকে সেনাবাহিনীর টহল টিম তাকে আটক করে।
এ সময় তার কাছ থেকে তিনটি একনলা বন্দুক, ৮টি কার্তুজ ও ৪টি রামদা উদ্ধার করা হয়। সে উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের চাকফিরানী ৮নং ওয়ার্ডের খলিলুর রহমানের ছেলে।
জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জমি সংক্রান্ত বিষয় মীমাংসা করার জন্য নতুন পাড়া জামে মসজিদে বৈঠকের আয়োজন করেন। বৈঠকের কোনো এক সময় রফিক মেম্বারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিতে হামলা করার পরিকল্পনা করা হয়। এসময় সেখানে ডাকাত তৌহিদ বাহিনীর সশস্ত্র সদস্য অবস্থান করছিল।
বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চাকফিরানি আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাছে একটি পরিত্যক্ত টিনের বাড়িতে তিনটি একনলা এলজি, আটটি কার্তুজ ও ৪টি রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় তৈরি বিভিন্ন অস্ত্র রয়েছে। পরে সেনাবাহিনী আটক নুরুল আমিনকে সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে সেগুলো উদ্ধার করে।
লোহাগাড়ায় দায়িত্বরত আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন শাহরিয়া কবির রুপক জানান, ডাকাত তৌহিদ গ্রুপের সদস্য নরুল আমিনকে সেনাবাহিনীর টহল টিম অভিযান চালিয়ে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তার তথ্যমতে চাকফিরানি আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাছে একটি পরিত্যক্ত টিনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় সেখান থেকে তিনটি একনলা এলজি, ৮টি কার্তুজ ও ৪টি রামদাসহ বিভিন্ন দেশী অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আটককৃতকে লোহাগাড়া থানা পুলিশে হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি) আরিফুর রহমান জানান, নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকালে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।